পাড়াতলা কিং ক্লাবে আপনাকে স্বাগতম।

পাড়াতলা কিং ক্লাব এর দশ বছর পূর্তিতে বাণী

 
“আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি”-রবি ঠাকুরের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার যে প্রয়াস নিয়ে গ্রাম বাংলার উদ্দীপ্ত তরুন সমাজের অগ্রযাত্রা সময় কাল সমাজকে অতিক্রন্ত করে আজ বাস্তবায়নের স্বর্নশিখরে অবতরনের অপেক্ষায়। গ্রামের আর্থ- সামাজিক পটভূমিকার পরির্তন,হত- দরিদ্রদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন ও নিরক্ষর মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে “পাড়াতলা কিং ক্লাব তার অগ্রযাত্রার দশটি বছর অতিক্রম করেছে। সামাজিক অবক্ষয় আজ শহর গ্রাম গঞ্জে এক মরন ব্যধি হিসবে ভয়ানক রুপ ধারন করেছে। আমি আসারাখি আঘামীতে এ সংঘটি সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরুধের দুয়ার উন্মোচন করে এমন এক সমাজের শুভ সূচনা করবে যা স্বপ্নের সোনার বাংলার মডেল হিসেবে উদীয়মান সূর্য়ের রক্তিম আভার মত সকলকে সহজ সরলভাবে সূষ্ঠু ও সুন্দর জীবন যাপনের অবিচল ধারায় চলার অনুপ্রেরণা জেগাবে আজকের এই পাড়াতলা কিং ক্লাব এর বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের সফল বাস্তবায়নে- এর সকল উদ্যোক্তা তথা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জরিত সকলকে আমার প্রানঢালা অভিনন্দন। আমি আসা রাখি অদুর ভবিষ্যতে এ সংঘটি শুধু পাড়াতলা গ্রামে নয় বরং দেশের একটি আদর্শ ও অনুকরনীয় সংঘ হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। সর্বশেষে একটি কথাই বলব-“দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ”- নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে দেশ ও দশের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাবে পাড়াতলা কিং ক্লাব।
 
শুভ-কামনা
জনাব মোঃ আবু কলাম শেখ (রাখিল)
সভাপতি
পাড়াতলা কিং ক্লাব

“পাড়াতলা কিং ক্লাবের বিভিন্ন আয়োজন”

  • All Posts
    •   Back
    • Events
আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল প্রীতি ম্যাচের একটি সুন্দর মুহূর্ত

আমাদের ক্লাব প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি প্রীতি...

আমাদের চলমান কার্যক্রম।

অসহায় দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান ।

একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হচ্ছে শিক্ষা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের সমাজে এখনো বহু মেধাবী শিক্ষার্থী আছে যারা শুধু অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শিক্ষা অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা প্রতিনিয়ত লড়াই করছে বেঁচে থাকার জন্য, যেখানে শিক্ষা একটি বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই অসহায়, হতদরিদ্র অথচ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যদি সময়োপযোগী এবং কার্যকর সহায়তা প্রদান করা যায়, তাহলে তারা শুধু নিজের জীবনই পাল্টে দিতে পারবে না, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নেও অসামান্য ভূমিকা রাখতে পারবে। তাই এই সহায়তা শুধুমাত্র দান নয়—এটি একটি ভবিষ্যতের বিনিয়োগ।

শ্রমজীবী অসহায় মানুষের জন্য ঈদুল ফিতর উপলক্ষে  ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ।

ঈদুল ফিতর মুসলিমদের জন্য একটি পবিত্র ও আনন্দের উৎসব। এই উৎসবটি সবাই একসঙ্গে ভাগাভাগি করে উদযাপন করলেও সমাজের কিছু মানুষ—বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক, গৃহকর্মী, পথশিশু ও অন্যান্য শ্রমজীবী অসহায় মানুষ—অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন।

এই প্রেক্ষাপটে সমাজের সচেতন ব্যক্তি, পাড়াতলা কিং ক্লাব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ঈদের আগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন।

দরিদ্র বেকার শিক্ষিত ছেলেমেয়েদেরকে বেসিক কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান।

বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। চাকরি, ব্যবসা কিংবা ফ্রিল্যান্সিং—সবক্ষেত্রেই কম্পিউটার দক্ষতা অপরিহার্য। কিন্তু আমাদের দেশের অনেক দরিদ্র শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে শুধু আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলস্বরূপ, তারা চাকরির প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে এবং আত্মনির্ভরশীল হতে পারছে না।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দরিদ্র ও বেকার শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য বেসিক কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান একটি অত্যন্ত কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ।

Scroll to Top